জলঢাকা সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে তিন সদস্যের তদন্ত দল

জলঢাকা নির্বাচিত খবর শিরোনাম শীর্ষ খবর সারাদেশ


স্টাফ রিপোর্টারঃ
নীলফামারীর জলঢাকায় দলিল লেখক সমিতির বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে গঠিত তদন্ত কমিটি তদন্ত কাজ সমাপ্ত করেছে। বুধবার সকাল থেকে বিকাল পযন্র্Í সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে চলে এই তদন্ত। তদন্ত দলের নের্তৃত্ব দেন ডিমলা উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রার রামজীবন কুন্ড। তদন্ত দলের অন্য সদস্যরা হলেন কিশোরগঞ্জ উপজেলার সাব-রেজিস্ট্রার আব্দুল্লা-আল-মাসুম ও সৈয়দপুর সাব-রেজিস্ট্রার মিজানুর রহমান। এ সময় জলঢাকা সাব রেজিস্ট্রার মনীষা রায় অফিসে উপস্থিত ছিলেন। তদন্ত চলাকালে পৃথকভাবে উভয় পক্ষের সাথে কথা শুনেন তারা। জানা যায়, সম্প্রতি জলঢাকার দলিল লেখক সমিতির সভাপতি আহম্মেদ হোসেন ভেন্ডার ও সাধারণ সম্পাদক আমজাদ হোসেনের বিরুদ্ধে দলিলের পিছনের বিশেষ সিলমোহর ব্যবহার করে সমিতির নামে দলিল প্রতি জোড় পূবর্ক দুই হাজার টাকা আদায় করার অভিযোগ উঠে। এ ছাড়াও দলিল লেখক সমিতির সভাপতি আহম্মেদ হোসেন সরকার দলের নাম ভাংগিয়ে জলঢাকা সাব-রেজিস্ট্রার অফিস জীম্মি করে রাখার অভিযোগ উঠে। আর এসব অভিযোগ করেন দলিল লেখক আনিছুর রহমান ও মোস্তাফিজার রহমানসহ কয়েকজন ভুক্তভোগি। এই চাঁদা আদায়কে কেন্দ্র করে সাব-রেজিস্ট্রারের উপস্থিতিতে দলিল লেখকদের মাঝে দলিল ছেড়াঁসহ হাতা-হাতির ঘটনাও ঘটে। এনিয়ে উভয় পক্ষ থানায় অভিযোগ করেন। পরবর্তিতে হাতা-হাতির ঘটনার সুষ্টু বিচার ও চাঁদাবাজী বন্ধের দাবীতে দলিল লেখক আনিছুর রহমান অফিস চত্ত্বরে প্রতিবাদ সভা করেন এবং বিভিন্ন দপ্তরে বিচার চেয়ে লিখিত অভিযোগ করেন। যা ইতিমধ্যে দেশের বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেক্টোনিক্স মিডিয়া ফলাও করে প্রচার করে। এর পরিপেক্ষিতে তদন্ত কমিটি গঠন করেন জেলা রেজিস্ট্রার মোঃ সাখওয়াত হোসেন। তদন্ত শেষে তদন্ত দলের প্রধান ও ডিমলা সাব-রেজিস্ট্রার রামজীবন কুন্ড বলেন,‘আমরা উভয় পক্ষের অভিযোগের প্রেক্ষিতে তদন্ত সম্পন্ন করেছি,তদন্ত শেষে দ্রুত সময়ের মধ্যে জেলা রেজিস্ট্রারের কাছে প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে।’

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।