শারিরীক প্রতিবন্ধী তছিরনের একটি হুইল চেয়ারের আকুতি

নির্বাচিত খবর নীলফামারী জেলা শিরোনাম শীর্ষ খবর সারাদেশ



মশিয়ার রহমানঃ প্রতিটি জীব মানেই বাঁচার তাগিদে চলাফেরা করতে চায়। তারও সাধ জাগে অনাবিল আকাশে মুক্ত বাতাসে একটু চলাফেরা করার। দেশের প্রতিবন্ধী জনগোষ্ঠীকে বিনামূল্যে চিকিৎসা সহ সব ধরনের সহযোগিতা প্রদান করা বর্তমান সরকারের যুগ উপযোগী পদক্ষেপ । ইতিমধ্যে প্রতিবন্ধী নারী ও পুরুষকে সমাজের মূলধারায় সম্পৃক্ত করতে সামাজিক নিরাপত্তাসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করছে বর্তমান সরকার। যা সমাজ সহ বহির্বিশ্বে সমাদৃত ও প্রশংসিত। এরপরেও ৬০বছর বয়সি শারীরিক প্রতিবন্ধী তছিরন নেছার ভাগ্যে জুঁটেনি একটি হুইল চেয়ারের । দুনিয়াটা ঘুরে দেখার জন্য একটি বাহন কিংবা হুইল চেয়ার পাওয়ার জন্য সকলের প্রতি আকুতি করছে ষাটোর্ধ তছিরন নেছা। নীলফামারী জেলা, ডিমলা উপজেলার মধ্য গয়াবাড়ী (শুটিবাড়ী বাজার) গ্রামের মৃত জমিরদ্দীন মিয়ার স্ত্রী তছিরন নেছা (৬০) । গত দুই বৎসর পূর্বে তার ডান পায়ে ঘাঁ হয়। অনেক চিকিৎসা করার পরে ও ভাল হয়নি।অবশেষে তার ডান পা কেটে ফেলতে হয়। ভাগ্যের কি র্নিমম পরিহাস কিছুদিন পর তার বাম পায়ে ইনফেকশোন হয়। তার বাম পায়ের কিছু অংশ কেটে ফেলতে হয়।অভাব অনাটনের সংসারে তার নিজের কোন ছেলে সন্তান নাই। অনেক কষ্টে দুই মেয়ে বিয়ে দিয়েছেন।তাদের ও সংসার অভাব অনাটনের মায়ের দুঃখ কষ্ট দেখে ছোট মেয়ে নিয়ে আসে তার বাড়িতে বর্তমানে সেখানে থাকেন।ছোট মেয়ে সংসার পাচঁ জন মেয়ে সন্তান আছে। দুটি পা হারিয়ে সে বর্তমানে তছিরন নেছা কঠিন মানবেতর জীবনযাপন করছে। গোসল, চলাচল, ঘোরাফেরা একেবারেই বন্ধ। অজুর পানির জন্য অন্য কারো মুখের দিকে তাকিয়ে থাকতে হয়। এক অসহনীয় কঠিন বাস্তবতা।তার ছোট মেয়ে জমিলা আক্তার জানান, শক্তি ও সামর্থের মধ্যে বহু হাসপাতালে চিকিৎসা করেও কোন ফল পায়নি। সে পায়ে হেঁটে চলাফেরা করতে পারেনা। সে মানুষ দেখলেই হাউমাউ করে কেঁদে ইশারা দেয় তাকে নিয়ে ঘুরতে। কিন্তু কারো কি সময় আছে অভাগা প্রতিবন্ধী ষাটোর্ধ্ব তছিরন নেছার আরজি শুনতে ? সমাজের বিত্তবান ও প্রশানের উদ্দতম কতৃপক্ষের কাছে একটি হুইল চেয়ারের জন্য আকুল আবেদন করছে ষাট বছর বয়সী তছিরন নেছা যাতে করে তার চলাচলের কিছুটা সুবিধা হয়।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।